কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে দুর্নীতিতে রেকর্ড সৃষ্টিকারী ৩ খলিফার নেতৃত্বে চলছে লাগামহীন দুর্নীতি
৫ই আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী সময়ে যেখানে একটি পরিবর্তনের আশা করেছিল দেশের সাধারণ জনতা, সেখানে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে দূর্নীতি আর অনিয়মের বাজার খুলে বসেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের,প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান সেলিম,একই শাখার (আইন) প্রধান সহকারী,হামজা ও সরেজমিন উইংয়ের প্রধান সহকারী হান্নান খান। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে তাঁদের নেতৃত্ব চলছে ঘুষ, দুনীতির মহা উৎসব। এই তিন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কর্মরত থেকে গড়ে তুলেছিলেন বিশাল সিন্ডিকেট। লীগের দোসর এ-ই তিন কর্মকর্তা দের নিকট জিম্মি হয়ে পরেছেন সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহা ঘুষখোর দুর্নীতি বর পুত্র প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান সেলিম এর বিরুদ্ধে দৈনিক আজকের সংবাদে তাঁর দুনীতির রিপোর্ট প্রকাশিত হলে মন্ত্রণালয়ের সচিব কিংবা অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে। সুত্রে আরও জানা যায়, ভূয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা আর দূর্নীতির মাধ্যমে কয়েক বছরের ব্যবধানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধিনে সরকারি বরাদ্দ সিংহ ভাগ টাকা আত্মসাতের মাধ্যমে ইতোমধ্যে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা,প্রটোকল অফিসার আমিনুর।
শুধু কি তাই, কোথায় চোখ পড়েনি এই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তার? প্রতি মাসে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের পিডিদের ভয় দেখিয়ে, তার অধিনে সরকারি বরাদ্দের বিপরীতে বিভিন্ন খাত থেকে নিজস্ব আয়ের অর্ধেক টাকা পকেটে ভারী করে নাম মাত্র কিছু অর্থ দিয়ে কেনাকাটা সহ বিভিন্ন ভাবে খরচ দেখিয়ে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করে নিজের আখের গুছিয়েন দুনীতিবাজ আমিনুর। পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে (এস পি পি এস) প্রকল্পের ঝাড়ু কেনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক খাতে কেনা কাটা সহ-গাড়ির তেল, সব জায়গায় লাগামহীন দূর্নীতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ টাকা। বর্তমানে প্রটোকল অফিসার দায়িত্ব থেকে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশেয়। তাঁর নিকট তৈল,গ্যাস, গাড়ি মেরামত, গাড়ির বিভিন্ন পার্চ, কেনার চাহিদা পত্র দিলে, অর্থ বরাদ্দের বিপরীতে দশ,বিশ পার্সেন্ট ঘুষ নিয়ে বরাদ্দ প্রদান করেন। এক কথায় কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়ার পরিবর্তে হচ্ছেন প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার।
এখানেই শেষ নয়, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি বরাদ্দ থেকে শুরু করে সবখানেই লাগামহীন অনিয়ম করছেন এই কর্মকর্তা দুনীতিবাজ সেলিম। লীগের দোসর প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান সেলিম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে রীতিমতো পরিনত করেছেন পৈতৃক সম্পত্তিতে।
অন্য দিকে আইন শাখার উচ্চমান সহকারী লীগের দোসর আমির হামজা কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন দুনীতিবাজ কর্মকর্তাদের দুনীতির অভিযোগের তদন্তে নির্দেশনা ডিজিকে প্রদান করলে, ডিডি লিসাসা,তার অধিনে কর্মরত আমির হামজা, সেই সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে উক্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ফাইল গায়েব করে দেন এই দুনীতিবাজ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, উচ্চমান সহকারী আমির হামজা। টাকার বিনিময়ে দিনকে রাত আর রাত কে দিন বানানোই তাঁদের কাজ।সুত্রে আরও যানা যায়, সরেজমিন উইংয়েরের প্রধান সহকারী, বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের সহ,সভাপতি হান্নান খান সাবেক প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতির স্বেচ্চাচারিতা চালিয়েছিলেন বেপরোয়া হয়ে, তৎকালীন সাবেক সহকারী পরিচালক অর্থ শরিফ এর নেতৃত্বে।বর্তমানের শরিফ দুনীতির দায়ে কারাগারে আছেন,অথচ তাঁর কেশিয়ার হান্নান খান রয়েছেন বহাল তরিয়াতে। বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের নেতা লীগের দোসর প্রধান সহকারী হান্নান এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দের্দাচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে এই তিন কর্মকর্তা। তাদের সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পরেছেন সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। আগামী কয়েক মাস পরে তিনি পিআরএল এ যাবেন যে কারণে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ দুনীতি সর্গরাজ্য,কমিশন বানিজ্য, ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।প্রধান সহকারী হান্নান খান এর বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ থাকলেও তাঁর অবৈধ টাকার প্রভাবে সেই সকল অভিযোগ আলোর মুখ দেখেনি আজও পর্যন্ত। রাজধানী মিরপুর -২ চার ইউনিটের পাঁচ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন, চার কাঠা জমির উপরে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে। সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের একটাই প্রশ্ন সামান্য তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা এত সম্পদশালী হলেন কোন পথে। উক্ত অভিযোগ এর বিষয়ে প্রধান সহকারী হান্নান খানের মোবাইলে ফোন দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সকল অভিযোগ অশিকার করেন, তাঁর অফিসে গিয়ে কথা বলতে বলেন।প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান সেলিম এর মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন নাই, খুদে বার্তা পাঠালেও তার কোন মতামত পাওয়া যায়নি। উপ- পরিচালক, লিসাসা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর ও কোন মতামত পাওয়া যায়নি।
উপ পরিচালক লীসাসা একটি প্রকল্পের পিডি দায়িত্বে থেকে ঘুষ দুনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন ,তাঁর লাগামহীন এই দূর্নীতির এই উপাখ্যান জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।