ঢাকা -১২ আসনের কোদাল মার্কা প্রাথীর নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছেন যুবদলের বহিস্কৃত সদস্য সচিব আবদুর রহমান

তেজগাঁও থানার যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কৃত চাঁদাবাজীর মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি আবদুর রহমান কে সাথে নিয়ে জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ঢাকা -১২ আসনের কোদাল মার্কার  প্রাথী নির্বাচনে প্রচারে প্রচার করে যাচ্ছেন দেদারসে।

ঢাকা -১২ আসনের কোদাল মার্কা প্রাথীর নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছেন যুবদলের বহিস্কৃত সদস্য সচিব আবদুর রহমান

তেজগাঁও থানার যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কৃত চাঁদাবাজীর মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি আবদুর রহমান কে সাথে নিয়ে জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ঢাকা -১২ আসনের কোদাল মার্কার  প্রাথী নির্বাচনে প্রচারে প্রচার করে যাচ্ছেন দেদারসে। এতে করে সাধারণ ভোটারদের মাঝে চলছে নানান গুনজন। কোদাল মার্কার প্রাথী জন সমুর্খে বলছেন তিনি নির্বাচিত হলে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজ দেরকে পতিহত করা হবে। অথচ কাওরানবাজার কুখ্যাত চাঁদাবাজ, চাঁদাবাজির মামলার আসামি তাঁর সাথে থেকে নির্বাচনে প্রচারের অংশ গ্রহণ করে প্রচার করে যাচ্ছেন বলে দেখা যাচ্ছে। চাঁদা বাজীর মামলার আসামি কি ভাবে প্রকাশ্যে মিছিল মিটিং ও নির্বাচনী প্রচারণা করে যাচ্ছেন বলে তেজগাঁও থানার পুলিশ এখন প্রশ্ন বিদ্ধ। মামলার বাদী আবু বকর সিদ্দিকি এ প্রতিবেদককে জানান এজাহারভুক্ত আসামী আবদুর রহমান জোর পূর্বক জামিনের কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে আদালতে হাজির করে জামিন নিয়েছেন বলে দাবী করেন মামলার বাদী।

সুত্রে যানা যায়, তেজগাঁও যুবদলের বহিস্কৃত সদস্য সচিব আবদুর রহমানের বেপরোয়া চাঁদা বাজী, দখলবাজীর কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন কাওরানবাজার এলাকায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্রে যানা যায়, কিছু দিন আগে কাওরানবাজার এলাকায় সাধারণ ব্যাবসায়ীরা চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি  চলাকালীন সময়ে বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান এর সাংঙ্গ পাংঙ্গরা মানববন্ধনে হামলা করে পুলিশ প্রশাসনের সামনে। সেই সময়ে দেশের অগনীত মিডিয়াতে ঢালাওভাবে প্রচার হলেও চাঁদাবাজ আবদুর রহমান ও তার বাহীনি এখনো রয়েগেছেন বহাল তরিয়াতে। সুত্রে আরও জানা যায়, বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমানের বেপরোয়া চাঁদা বাজীর কারণে অতিষ্ঠ হয়ে  তেজগাঁও থানায় একই উদ্দেশ্য বেআইনী জনতাবদ্ধ, হত্যার উদ্দেশ্য মারপিট, জখম, চাঁদাবাজী,ও হুমকি প্রদর্শনের আপরাধে মামলা করেন এক ভুক্তভোগী তেজগাঁও থানায় যার মামলা নং ৩২/ তাঁরিখ ৩০/১০/২৫। চাঁদাবাজীর মামলায় পলাতক  আসামি আবদুর রহমান কে গ্রেফতার না হওয়াতেই চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুকছেন ভুক্তভোগী ঐ মামলার বাদী বলে এই প্রতিবেদককে জানান। খোঁজ নিয়ে আরও যানা যায়, কাওরানবাজার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন যুবদলের বহিষ্কৃতনেতা  সদস্য সচিব আবদুর রহমান। তাঁকে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন তেজগাঁও থানার কাওরানবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্চাজ এস আই হায়দার আলী। কাওরানবাজার এলাকায় দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদা উত্তোলন একটি আংশ ভাগপান এস আই হায়দার আলী। যে কারণে বেপরোয়া হয়ে চাঁদাবাজী করে যাচ্ছেন বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান, এস, আই, হায়দার আলীর ছত্র ছায়ায় থেকে।

আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা বাজীর মামলার সাক্ষী দের কে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন আবদুর রহমান ও তাঁর বাহীনিরা বলে স্বাক্ষী জাহিদুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান। এছাড়া আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় ডরজন খানেক ডিজি করা হলেও তেজগাঁও থানার পুলিশের তেমন কোন তত্তপরতা দেখা যায়নী। সুত্রে আরও যানা গেছে, গত ৮/১/২৬ তারিখে জহিরুল ইসলাম জীবনের নিরাপত্তার চেয়ে তেজগাঁও থানার আবদুর রহমান গংদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেন ডাইরি নং৫৩০। একইভাবে কাওরানবাজারের কিচেনমার্কেটর ব্যাবসায়ী দেলোয়ার হোসেন জিডি করেন তেজগাঁও থানায় রহমান গংদের বিরুদ্ধে ১৩/১/২৬ জিডি নং ৮৪৮।বেলায়েত হোসেন নামে আরেক ব্যাবসায়ী ৭/১/২৬ তারিখে ৪৫৮ নং জিডি করেছেন। বেল্লাল হোসেন নামে আরেক ভুক্তভোগী ১১/১/২৬ তারিখে তেজগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ডাইরি নং ৭১২। গত ১৫/১/২৬ তারিখে হাজী মাইনুদ্দীন মানিক বাদী হয়ে ৯৯০ নং জিডি করেন চাঁদাবাজ আবদুর রহমান গংদের বিরুদ্ধে। মাসুদ রানা নামে আরেক ভুক্তভোগী ২৮/১/২৬ তারিখে জিডি করেছেন আবদুর রহমান গংদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও আসলাম নামে আরেক ভুক্তভোগী তেজগাঁও থানায় জিডি করেছেন আবদুর রহমান গংদের বিরুদ্ধে জিডি নং ১০৯৪, তাঁরিখ ১৭/১/২৬। চাঁদা উত্তোলন কারী বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান এর বিরুদ্ধে এতগুলো জিডি,ও মামলা থাকার পরেও কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ও তেজগাঁও এলাকাতে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে নিরবে পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় উপরে প্রশ্ন সাধারণ ব্যবসায়ীদের।

তেজগাঁও থানার আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার গ্রেফতারের বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে ইন্সপেক্টর তদন্ত আসিফ ইকবাল এই প্রতিবেদককে জানান মামলায় জামিনে আছেন আবদুর রহমান। একাধিক জিডির বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আদালতের অনুমতি নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্হা নেওয়া হবে। তেজগাঁও থানার ওসি কে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি। আবদুর রহমানের মোবাইলে ফোন দিলে ও ফোন রিসিভ না করায় তাঁরও মতামত পাওয়া যায়নি।