এলিট আম্পায়ার সৈকত চুক্তিতে নেই কেন, ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
আইসিসির এলিট প্যানেলের বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সম্পর্ক নিয়ে সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা নিয়ে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা ভুল-বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়।
আইসিসির এলিট প্যানেলের বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সম্পর্ক নিয়ে সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা নিয়ে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা ভুল-বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়। এই বিভ্রান্তি দূর করতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছে বোর্ড।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, সৈকত বিসিবির চুক্তিভুক্ত আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল। পরে সেটি ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এপ্রিলে বর্ধিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সৈকতের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি নবায়ন করা হয়নি।
এর কারণ হিসেবে বোর্ড বলেছে, আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার হওয়ায় সৈকতের দায়িত্ব ও ব্যস্ততা ক্রমেই বাড়ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ঠাসা সূচির বিসিবির হয়ে আগের মতো নিয়মিত দায়িত্ব পালন করার সুযোগ সীমিত হতে পারে। এই বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তার কেন্দ্রীয় চুক্তি আর নবায়ন করা হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ারদের জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় রাখা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সাধারণ নিয়ম নয়।
কারণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার ব্যস্ততার সঙ্গে জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সূচির সমন্বয় করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, সৈকতের সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি। তার সুযোগ-সুবিধা ও সময়সূচি মিললে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সিরিজের পাশাপাশি দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট, লিস্ট ‘এ’ এবং টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
বোর্ড আরো উল্লেখ করেছে, কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও একই ব্যবস্থার আওতায় সৈকতকে এ বছরের জুনে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে আম্পায়ারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
২০২৪ সালের মার্চে বাংলাদেশের প্রথম আম্পায়ার হিসেবে আইসিসির এলিট প্যানেলে জায়গা করে নেন সৈকত।
বেশ সাফল্যের সঙ্গে আম্পায়ারিং করে এখনো জায়গা ধরে রেখেছেন তিনি।
সম্প্রতি বিসিবির সঙ্গে ৪৯ বছর বয়সী সৈকতের চুক্তি নিয়ে দেশের কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। কোনো খবরে বলা হয় সৈকতকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কোনোটিতে বলা হয় বরখাস্ত করা হয়েছে, আবার কোনোটিতে আবার বলা হয় তাকে চুক্তিতে রাখা হয়নি।
এসবের প্রেক্ষিতেই আজ সব ধরনের বিভ্রান্তি দূর করল বিসিবি।
জেএএ