ডিএসসিসি’র জিএম পরিবহন ও নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের একের পর এক পদক্ষেপে যেখানে দুর্নীতিতে ডিএসসিসি জিরো টলারেন্সে আসার পথে সেখানে দু-একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার লাগামহীন দুর্নীতির কারণে মেয়রের সকল পদক্ষেপ ভেস্তে যেতে বসেছে।

ডিএসসিসি’র জিএম পরিবহন ও নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের একের পর এক পদক্ষেপে যেখানে দুর্নীতিতে ডিএসসিসি জিরো টলারেন্সে আসার পথে সেখানে দু-একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার লাগামহীন দুর্নীতির কারণে মেয়রের সকল পদক্ষেপ ভেস্তে যেতে বসেছে।

এমনি একজন কর্মকর্তা হলেন কর্পোরেশনের জিএম (পরিবহন) ও অঞ্চল ৪ ও ১০ এর নির্বাহী কর্মকর্তা হায়দার আলী। যার পদমর্যাদা (যুগ্ম সচিব) একাই ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দুর্নীতির মহোৎসবের মেতে উঠেছেন। জিএম পদে উপসচিব পদমর্যাদার ও অন্য ২ টি পদেও সাধারণত উপসচিব পদমর্যাদার ব্যক্তি থাকলেও সম্প্রতি তিনি পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে বদলি হলেও অর্থের বিনিময়ে মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ডিএসসিসি’র এই ৩ পদে এখনও বহাল আছেন। ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকলেও প্রকৃতপক্ষে বিএনপি ঘরনার অত্যন্ত চতুর এ কর্মকর্তা এখন আওয়ামী ঘরনার বলে নিজেকে প্রচার করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সুত্রুমতে তার বিরুদ্ধে আনিত দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে জন্ম নিবন্ধনের সনদ স্বাক্ষরে সাগরের অধস্তন কর্মচারীদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ অন্যতম। এতে করে কর্মচারীরা সাধারণ নগরবাসীর কাছ থেকে অতিরিক্ত হারে সরকার নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকেন। এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ও রেভিনিউ সুপারভাইজার এর কাছ থেকে লাইসেন্স ইস্যু ও হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়কারী কর্মচারীদের কাছ থেকে উৎকোচ নেয়ায় তার ২ অঞ্চলের কর্মচারীরা নগরবাসীর কাছ থেকে নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকে।

এমনকি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন দোকানে ভয় ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করে। যা আদায় হয় তা থেকে কম টাকা রশিদে লিখে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এমন বিস্তর অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। মোবাইল কোর্টের জব্দ মালামাল আত্মসাৎ, তেলের স্লিপ নিজে নিয়ে পেট্রোল পাম্পে বিক্রি, তদবির বাণিজ্য, নারীগঠিত অভিযোগ, অফিস না করে সরকারি গাড়ি নিজের কাজে ব্যবহার সহ মেয়রের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন হাজারো অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এসব অভিযোগ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ষড়যন্ত্রকারীরাই এসব ষড়যন্ত্র করছে।